The Covid-19 pandemic has affected almost everybody across the world, yet its effects are especially intense for individuals in neediness. The nature of the Covid-19, there is a real risk of repeated spikes and possibly repeated and localized lockdowns. These have the potential to disrupt the recovery process intermittently. The present study aims to
explore the specific operational and financial difficulties faced by the MFIs during Covid-19 period. It highlights the
changes in the portfolio at risk (PAR) of the MFIs due to the crisis and the operational and crisis management
measures adopted by the MFIs as a precaution against Covid-19 impacts. Finally, the study suggests supportive
measures that can be adopted for the MFIs to carry out their mission of serving the poor and disadvantaged in a
more elective manner in the post Covid-19 period.

Financial and Operational Challenges faced by MFIs:

Portfolio at Risk (PAR) of MFIs: Among the major issues, the developing portfolio in danger (PAR) is the most prominent financial challenge that they have experienced because of the pandemic. The PAR is determined as the proportion of the volume of the advance portfolio that is past due for a specific period (generally taken as surpassing 30 days) and the absolute advance portfolio. All MFIs size classes have been confronting rising PAR due to
the Covid-19 pandemic (Figure 1). Around 93% of the example MFIs demonstrates that their PAR levels have risen strongly during the Covid-19 period thought about with their pre Covid-19 levels. Among the exceptionally enormous MFIs, the PAR has dramatically increased for 50%; while for the rest, PAR has multiplied. For all enormous MFIs, the PAR has multiplied. Then again, among the medium MFIs, 59% and, among the little MFIs, 55% have encountered a dramatically increasing of their PAR; while 35% of both little and medium MFIs report a multiplying of PAR over their pre Covid-19 levels. Just 10% of the little MFIs have generally unaltered PAR.

Operational Difficulties of MFIs: More than 85% of the MFIs have difficulties of their staff in gathering with the borrowers at the field, while 88% deal with issues in conveying nonfinancial administrations, for example, preparing and business improvement, wellbeing, instruction and different administrations. Around 83% of the MFIs report confronting difficulties in gathering advance reimbursements, while 73% has difficulties in dispensing new credits. It very well might be seen that the difficulties experienced by the MFIs are firmly connected with the financial reasonability and supportability of the MFIs. In that capacity, these operational difficulties have likewise set off other significant short-and long haul financial challenges for all MFIs including rising PAR, difficulties in portfolio and hazard the board, mass withdrawal of investment funds by the individuals, and deteriorating liquidity emergency.

Financial Difficulties of MFIs: Irrespective of MFIs size category, most surveyed MFIs face financial difficulties due
to the pandemic (Figure 3). About 88 per cent of the MFIs report rapidly rising PAR, while 85 per cent face
deterioration in outstanding loan portfolio and 80 per cent face the problem of high rates of savings withdrawal by
the borrowers. Around 78 per cent of the surveyed MFIs face difficulties in repaying their borrowed fund to the
banks and/or other borrowing agencies. More than 73 per cent of the MFIs have inadequate equity capital to cope
with the Covid-19 crisis. No doubt, these financial difficulties represent a challenge for the entire microfinance
sector for both the short and medium terms.

Covid-19 Challenges: Path from Crisis to Recovery
The survey shows that more than half of the MFIs have initiated discussion with the regulatory authority (MRA) and
apex organization (PKSF) to revise/relax rules and regulation to meet the pandemic situation. It is seen that most
MFIs acted on their own to face the Covid-19 challenges since the beginning of the pandemic. Around 51 per cent
of the MFIs revised their loan distribution policy, mostly by the very large and large MFIs. The medium and small
MFIs could exercise little leverage in revising their loan distribution policies. Nevertheless, most of them
implemented restructuring in loan repayments. Almost 90 per cent of the medium and small MFIs have
restructured the loan portfolio for the benefit of the clients.

Source- http://inm.org.bd/wp-content/uploads/2020/11/InM-Covid-19-Research-No-4-2210.2020.pdf

 ‘সর্বাত্মক’ লকডাউনে উপার্জন হারানো দরিদ্র ব্যাক্তিদের সরকারী অনুদান হিসাবে আড়াই হাজার টাকা করে দিবে সরকার। মোট ৩৫ লাখ পরিবার এ অনুদান পাবে । গত বছর করোনাভাইরাসের শুরুতেই ক্ষতিগ্রস্তদের জন্যে এক হাজার ২৫৮ কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন পৌনে ৯০০ কোটি টাকার মতো খরচ হয়েছিল। পরে তালিকায় অনিয়ম থাকায় কর্মসূচিটি সাময়িক স্থগিত হয়। এবার ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার পরিবারের প্রত্যেককে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়ার জন্যে ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

সে সময় নগদ অর্থ সহায়তার প্রয়োজন আছে এমন ৫০ লাখ পরিবারের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। সরকারের মাঠ-পর্যায়ের কর্মকর্তারা এই তালিকা তৈরি করেন। তালিকায় ছিলেন— রিকশাচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক, কৃষক, দোকান কর্মচারী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও পরিবহন শ্রমিক।

গত বছরের ১৪ মে প্রধানমন্ত্রী এই অর্থ বিতরণ কাজের উদ্বোধন করেন। তবে, টাকা বিতরণে অনিয়ম ও তালিকায় অনেক সচ্ছল ব্যক্তির নাম থাকায় মাঝপথে এই কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরে, অর্থ বিভাগ সেই তালিকা কয়েক পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে ১৪ লাখ ৩২ হাজার নাম বাদ দেয়। এরপর ৩৪ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৩ জনের চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়।

অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘মহামারি মোকাবিলায় সরকারের জরুরি সহায়তা তহবিলের ১০ হাজার কোটি টাকা থেকে এই ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও মৃত্যুহার কমাতে গত বুধবার সকাল থেকে ‘সর্বাত্মক’ লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এর ফলে ঘরে বসে থেকে কঠিন সময় পার করছেন গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা।

দিনকে দিন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। গতকাল দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা ১০ হাজারে পৌঁছেছে। এ ছাড়া, একদিনে ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলমান পরিস্থিতিতে সরকার বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও বাড়াতে পারে। এর ফলে গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন-জীবিকা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

গত ১১ এপ্রিল অর্থমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে এক বাজেট-পূর্ববর্তী বৈঠকে অর্থনীতিবিদরা বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন। সেগুলোর মধ্যে ছিল— অতিদরিদ্র; যারা লকডাউনে কঠিন সময় পার করছেন, তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতিতে অর্থ সহায়তার কথাও।

পহেলা বৈশাখের দিন সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, তার সরকার সব সময় গরিব মানুষের পাশে আছে। তিনি আরও জানান, লকডাউনে গরিব ও নিম্ন আয়ের মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তায় সব ধরনের উদ্যোগ নিতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলে রেখেছেন।

অন্যান্য সহায়তা

নিম্ন আয়ের মানুষদের নগদ অর্থ সহায়তা ছাড়াও চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে কালবৈশাখীতে ক্ষতিগ্রস্ত বোরা চাষিদের অর্থ সহায়তা দেবে সরকার। গত সপ্তাহের ঝড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাওর ও সমতলভূমির প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান নষ্ট হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ফসল নষ্টের ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে উঠতে এক লাখ কৃষককে এককালীন নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে সহায়তা দেবে সরকার। এ জন্য গত সপ্তাহে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ।

এ জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়কে কৃষকদের ফোন নম্বরসহ একটি তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে। তালিকা তৈরি হয়ে গেলে অর্থ বিভাগ তাদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু করবে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়াও, টেস্ট রিলিফ (টিআর), জেনারেল রিলিফ (জিআর), ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) ও ভালনারেবল গ্রুপ ডেভলপমেন্ট (ভিজিডি) কর্মসূচির জন্যে অতিরিক্ত ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

লকডাউনে গ্রামীণ জনগণের সাময়িক অর্থ সহায়তার উদ্দেশ্যে এসব অতিরিক্ত ফান্ড চালু করা হয়। এসব প্রকল্পের জন্য মূল বরাদ্দ ছিল এক হাজার ২১৬ কোটি টাকা।

টিআর কর্মসূচির আওতায় গ্রামাঞ্চলে কর্মহীন মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে ক্ষুদ্র পুনর্বাসন প্রকল্পগুলো। এ ছাড়া, ভিজিএফের আওতায় অতিদরিদ্র মানুষদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে লকডাউনের সময় দরিদ্র মানুষদের খাদ্য সহায়তায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ বিভাগ। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এই টাকা জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে ত্রাণ সহায়তা হিসেবে বিতরণ করবে। ত্রাণ হিসেবে চাল, মসুর ডাল ও তেল বিতরণ করা হবে।

যদি চলমান ‘সর্বাত্মক’ লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হয়, তাহলে দেশের ১১ সিটিতে ভর্তুকি দিয়ে ৭৫ হাজার টন চাল খোলা বাজারে বিক্রি করা হবে। ১০ টাকা কেজি দরে এই চাল বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা। তিনি আরও জানান, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে পরিস্থিতির কিছুটা উপশম করা যাবে।

পাশাপাশি সরকার পরিচালিত ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ভর্তুকিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করবে। এজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেবে অর্থ মন্ত্রণালয়।

ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে একটি বড় সমস্যার নাম হলো বকেয়া । বকেয়া পড়লে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের অনেক ক্ষতি হয় । তাই যারা ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তাদের সকলের জা না প্রয়োজন বকেয়া পড়ার কারন ও রোধ করার কৌশল। তাই যারা ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে বা এনজিও তে কাজ করছেন কিংবা কাজ করতে আগ্রহী তাদের প্রত্যেকের জানা উচিত বকেয়া পড়ার কারন ও রোধ করার কৌশল সমূহ।

ভিডিও টি দেখুন-

মাইক্রোফাইন্যান্স এর অনুপাত বিশ্লেষণ অতি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। তাই এই ভিডিওতে মাইক্রোফাইন্যান্স এর বেসিক কিছু রেশিও নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি একটি মাইক্রোফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সার্বিক মূল্যায়ন করতে চান তাহলে অবশ্যই রেশিও এনালাইসিস সম্পর্কে ভালভাবে জনতে হবে। Ratio Analysis for microfinance institutions in bangladesh এই ‍ভিডিওটির মাধ্যমে আপনি রেশিও এনালাইসিস এর প্রাথমিক ধারনা পাবেন। আরও বিস্তারিত জানতে হলে ভিজিট করুন website- https://learnmicrofinance.com/ Facebook page – https://www.facebook.com/learnmicrofinance ভিডিওটি ভাললাগলে বা উপকারে আসলে কমেন্ট, শেয়ার ও লাইক করুন। #microfinance_institutions_in_bangladesh #microfinance

এক কুমিরের একবার শখ হলো যে সে তার বাচ্চাদের শিক্ষিত বানাবে। এখন শিক্ষিত যে বানাবে সে শিক্ষক পাবে কোথায়। চিন্তা করতে করতে তার মনে পরল শিয়ালের কথা। শিয়ালকে তো প্রাণী জগতের সবাই পণ্ডিত বলে থাকে। সেজন্য সে ঠিক করল যে শিয়ালের কাছেই তার ছানাদের পাঠাবে। সে পাঠাল তার ৮ ছানাকে। এদিকে নাদুস নুদুস ছানা দেখে তো শিয়ালের মুখে লোল পড়ার অবস্থা। তো সে প্রতিদিন একটা করে ছানা খেতে থাকল। আর কুমির তার বাচ্চাদের মাঝে মাঝে দেখতে চাইলে সে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে একটা বাচ্চাকে বারবার দেখিয়ে বুঝ দিত যে ৮ টি বাচ্চাই আছে। এদিকে কুমিরও নিশ্চিতভাবে বসে থাকে আর আরেক দিয়ে তার একটা একটা করে বাচ্চা সাবাড় হতে থাকে।

এখন এই রুপক গল্প টাকে আমরা যদি ক্ষুদ্র ঋণের প্রেক্ষিতে দেখতে চাই, তাহলে কুমির হলো প্রতিষ্ঠান, শিয়াল হলো সদস্য, বাচ্চা হলো টাকা আর বাচ্চাকে শিক্ষিত করা হচ্ছে সেই প্রকল্প যার জন্য আপনি ঐ সদস্যকে টাকা দিয়েছেন।

এখন আসুন আমরা দেখি যে আমরা মূলত ঋণ টা কেন দিই। সেটা কি শুধুমাত্র আমাদের ঋণস্থিতি বা Loan Outstanding বাড়ানোর জন্য নাকি ঐ সদস্য এর প্রকৃত উন্নয়নের জন্য যাতে করে সে তার ঐ প্রকল্পে উন্নয়নের মাধ্যমে নিজের ও তার পরিবারের উন্নয়ন সাধনের পাশাপাশি  ঐ প্রকল্পের জন্য পরবর্তীতে আরও বেশি ঋণ নিতে পারে এবং এতে করে ঐ সংস্থার ঋণ স্থিতি আরও বৃদ্ধি পায় তার জন্য। এখন যদি সংস্থা ভাসা ভাসা বা সঠিক ভাবে চেক না করে একবার ঋণ দিয়ে দেয় এবং পরবর্তীতে কুমিরের মত করে মনিটরিং করে তাতে একদিকে ঐ লোকের প্রকৃত উন্নয়ন তো হবেই না বরং সে শিয়ালের মত করে সব টাকা খেয়ে ফেলবে। তখন না হবে কুমিরের ছানা শিক্ষিত অর্থাৎ না হবে প্রকল্পের কোন সঠিক উন্নয়নের মাধ্যমে সদস্যর উন্নতি অপরদিকে না থাকবে কুমিরের বাচ্চা অর্থাৎ টাকা টা পুরো জ্বলে যাবে। সেই টাকার কোন Productivity থাকবে না।

একটি মানুষের আর্থিক উন্নয়নের যে মূলমন্ত্রের জোরে এই সকল ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা ঋণ দিয়ে থাকে সঠিক মনিটরিঙের অভাবে সেটি বরং হয়ে যাচ্ছে বোঝার ন্যায়। এভাবে ঋণ দেয়ার পর ঠিক মত ঋণ প্রকল্প মনিটরিং হয় না বলেই একসময় এই ঋণের টাকা গলার কাটার মত বেজে থাকে। না পারে উগরাতে না পারে গিলতে। অপরদিকে যে কর্মী ঋণ দেয় সে তো পাগলের মত টাকা আনার জন্য ব্যস্ত থাকে। এভাবে এক দিন দুই দিনের মাথায় শুরু করে খারাপ ব্যবহার। আর ঋণ সংস্থার নাম হয়ে যায় রক্তচোষা। এভাবেই রেপুটেশন নষ্ট হচ্ছে এই সকল ঋণ প্রতিষ্ঠানের।

হ্যাঁ, আপনারা বলতে পারেন ব্যাংক কি এত খোঁজ নিয়ে বা এত মনিটরিং করে ঋণ দেয়? যদি তাই না দেয় তবে আমরা কেন দিব?? ভাই, ব্যাংক তো নিজেকে উন্নয়ন সংগঠন বলে দাবি করে না, কিন্তু ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী এই সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিন্তু নিজেদের উন্নয়ন সংগঠন বলে কাজ করে এবং তাঁদের মূলমন্ত্র কিন্তু তাঁদের সদস্য দের সকল ধরণের সমন্বিত উন্নয়ন সংগঠিত করা। তাছাড়া ব্যাংক তো মূলত তাদেরকেই ঋণ দেয় যারা আর্থিকভাবে মোটামুটি সচ্ছল বা যারা তার এই ঋণ শোধ করতে পারে বা ঋণের পরিবর্তে কিছু মর্টগেজ রাখতে পারে। কিন্তু ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের মূল টার্গেট গ্রুপ কিন্তু ছিল প্রান্তিক জনগোষ্ঠী যারা মূলত ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারত না বা যাদের মর্টগেজ রাখার মত তেমন কোন সম্পত্তি ছিল না। ক্ষুদ্র ঋণ তো এভাবেই তাদেরকে একটু একটু করে ঋণ প্রদান করে, বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং ঋণ দিয়ে তাদেরকে ধীরে ধীরে উন্নত অবস্থার দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করত।

কিন্তু বর্তমানে অনেক ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান তাঁদের এই মূলনীতি থেকে দূরে সরে আসার জন্য আদতে যা ছিল উন্নয়নমুখী প্রতিষ্ঠান এখন হয়ে যাচ্ছে তা মানুষের জন্য গলার কাঁটা। অনেক ক্ষেত্রেই শুধু মনিটরিং এর অভাবের জন্য এই সকল প্রতিষ্ঠান হচ্ছে উন্নয়নের স্থানে অবনতি কারী প্রতিষ্ঠান যা কিন্তু একটি সতর্ক সংকেত।

এখন কিন্তু ব্যাংক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী কে বিভিন্ন ঋণ দিচ্ছে। অনেক ক্ষুদ্র ঋণ  প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও এখন ব্যাংক খুলেছে। কিন্তু এই সকল ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যদি শুধুমাত্র তাঁদের ব্যবসায়ের খাতিরে ঋণ স্থিতি বাড়ানোর জন্য এভাবে মনিটরিং না করে ঋণ প্রদান করতেই থাকে তবে তা এই সকল প্রতিষ্ঠানের জনপ্রিয়তা ভবিষ্যতে আরও বহুগুনে হ্রাস করতে পারে। এর থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন কয়েকটি মূল ঋণ প্রদান প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ এর তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে ঋণ অনুমোদন ও নিয়মিত বিরতিতে প্রকল্প মনিটরিং এর মাধ্যমে পরবর্তী ঋণের রাস্তা সুগম করা। এতে করে একদিকে যেমন এই সকল ঋণ প্রদানকারী সংস্থার জনপ্রিয়তা ও ব্যবসার ক্ষেত্র বাড়বে অপরদিকে সদস্যদের আর্থিক উন্নতি সম্ভব।

লেখক
মাহ্‌দী যুবায়ের
বিএসএস, এমএসএস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
লেকচারার- পৌরনীতি ও সুশাসন- ইউনুছ খান মেমোরিয়াল কলেজ, শামুরবাড়ি,লৌহজং,মুন্সিগঞ্জ।

#মাইক্রোফাইস্যান্স বেসিক বিষয়গুলো জানতে ভিজিট করুন- https://learnmicrofinance.com/microfinance-basics/
#চাকুরী বিজ্ঞপ্তি পেতে ভিজিট করুন- https://learnmicrofinance.com/jobs/
অন্যান্য বিষয় জানতে ভিজিট করুন-
https://learnmicrofinance.com/blog/

“কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেই বন্যায় আক্রান্ত বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ শিল্প “

– শেখ মঈনুর রহমান

করোনা মহামারির মধ্যে দ্বিতীয় দফা বন্যা ভাসছে দেশের উত্তর, উত্তর পূর্বাঞ্চল এবং মধ্যাঞ্চলের ৩১ টি জেলার ৪০ লক্ষাধিক মানুষ। বন্যার পানি এখন রাজধানীর চতুর্পার্শ্বের চারটি নদীর বিপদসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের বালু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পূর্বাঞ্চলের নিম্ন এলাকাুমুহ প্লাবিত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় আম্পান দেশের ভেতরে এবং পশ্চিমবঙ্গে যে বৃষ্টিপাত ঝরিয়েছে এবং মুম্বাইয়ে ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের বৃষ্টির পানি নেমে আসায় দেশের নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে এই মূহূর্তে ভারত ফারাক্কাসহ তার সব বাঁধের গেট খুলে দেয়ায় এ পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এরই সাথে বিভিন্ন স্থানে নদ-নদীর ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বাড়ি-ঘরসহ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। 

এনজিওসমূহ হতে ঋণ নিয়ে ব্যবসা, বাণিজ্য, কৃষি উৎপাদন, হাঁস মুরগির ও গবাদি পশুর খামার প্রতিষ্ঠাকারি অসংখ্য মানুষ সহায়-সম্পদ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট মহামারীর মধ্যে জেলা শহর এবং গ্রামের লাখ লাখ মানুষ ক্ষেতের ফসল, গরু,ছাগল, হাঁস মুরগির খামার, মাছের খামার, শিল্প, সকল ধরনের ব্যবসা বাণিজ্য হারিয়ে অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটের মধ্যে পড়েছেন। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আগামী ঈদুল আযহা কে উপলক্ষ্য করে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প পরিচালিত হয়েছে। বিগত বৎসরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী একমাত্র কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করেই দেশে ৪০ হাজার কোটি টাকা আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকে। দুঃখজনকভাবে সত্যি হল, করোনা ভাইরাসের মহামারীর কারণে স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার কারনে এবছর অনেকেই গরু কোরবানির দেওয়া থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখবেন অথবা এখন পর্যন্ত দ্বিধাগ্রস্থ। একই সাথে সামাজিক নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কোরবানীর পশুর হাট পরিচালনা করার জোর তাগিদ রয়েছে। করোনা ভাইরাস এবং বন্যার কারণে এই বছর উৎপাদিত গবাদি পশু গ্রামাঞ্চল থেকে শহরে বিক্রয়ের জন্য নিয়ে আসতে পালনকারী, পাইকারি ব্যবসায়ী ও গবাদি পশু বিক্রেতাগন উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন। ইতোমধ্যেই গ্রামাঞ্চলে গরুর দাম আশঙ্কাজনকভাবে কম যার ফলে গবাদি পশু পালনকারি ও গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের সাথে জড়িত চাষীদের প্রচুর আর্থিক ক্ষতি গুনতে হতে পারে। একইভাবে বন্যা কবলিত অঞ্চলের মৎস্য খামার প্রকল্প সমূহের মাছ ভেসে গিয়েছে। মৎস্যচাষীগন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন । যার ফলে মৎস্যসম্পদ খাতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যাপক প্রভাব পড়বে নিঃসন্দেহে। 

ইতোমধ্যেই করোনা ভাইরাস মহামারীর আকার ধারণ করায় দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি বিশেষত গ্রামীণ অর্থনীতিতে চরম স্থবিরতা বিরাজমান। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অধিকাংশই ফসল উৎপাদন, প্রাণি সম্পদ এর খামার প্রতিষ্ঠা, ছোট ছোট ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা, হস্তশিল্প, ছাড়াও বিভিন্ন কর্মকা- পরিচালনার জন্য স্থানীয়ভাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান গুলো হতে ছোট ও মাঝারি ঋণ নিয়ে কর্মকা- পরিচালনা করছেন। করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারন করায় ঋণগ্রহীতা সদস্যগনের প্রায় ৪০-৪৫% সদস্য ঋণের কিস্তি পরিশোধের ক্ষেত্রে সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত ঋণের কিস্তি পরিশোধ এ অপারগতা প্রকাশ করে আসছেন। এক্ষেত্রে কিছু অতি দরদী কিছু দরিদ্র প্রেমিক এর ইন্ধন বিশেষ ভূমিকা রেখেছে বলে মাঠ পর্যায়ের পরিদর্শন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, যা এপ্রিল/মে মাসে আমার মাঠ পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিলাম। এই বিষয়গুলোর সরাসরি প্রভাব দেশের ক্ষুদ্র ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর পড়েছে। উল্লেখ্য যে, ক্ষুদ্রঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কিস্তি আদায়ের সাময়িক স্থগিতাদেশ সংক্রান্ত মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির নির্দেশনা অনুযায়ী ২৭ মার্চ হতে ১৫ মে ২০২০ পর্যন্ত মাঠ ঋণ কার্যক্রম স্থগিত করে। যার ফলে ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ১৮ মার্চ ২০২০ পর্যন্ত বিতরণকৃত ঋণের কিস্তি পরিকল্পনা মাফিক আদায় করতে তো পারেইনি উপরন্তু উক্ত সময়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাসিক বেতনসহ ও ঈদ উল ফিতরের বোনাস এবং সকল পরিচালনা ব্যয় নির্বাহ করতে হয়েছে। যদিও কিছু সংস্থা ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও কেবলমাত্র তারল্য সংকট এর কারণে সময়মতো সম্পূর্ণ মাসিক বেতন প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে। যে কারণে কোথাও কোথাও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যাইহোক গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মধ্য মে ২০২০ হতে সীমিত আকারে ঋণ কার্যক্রম শুরু হলে সদস্যদের সঞ্চয় উত্তোলনের চাহিদা ক্ষুদ্রঋণ শিল্পে বাড়তি তারল্য সংকট দেখা দেয়। তথাপি ও ক্ষুদ্রঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে স্ব স্ব সামর্থ্য অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম পুনরায় চালু করে। এখানেও স্থানীয় কিছু সুযোগ সন্ধানী এবং অতি বুঝবান স্বার্থান্বেসী মানুষের র্নিবুদ্বিতার কারনে বাধা গ্রস্থ হয়। এরইমধ্যে মাইক্রো ক্রেডিট রেগুরেটরী অথরিটির নির্দেশনানুসারে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সীমিত আকারে ঋণ আদায় কার্যক্রম পরিচালনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

এরইমধ্যে বর্তমান বন্যা ও ভাঙ্গনের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পুনরায় বাঁধার মুখে পড়েছে। দ্বিতীয় দফা বন্যায় এখন পর্যন্ত ৩১ টি জেলার ৪০ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তবে ১৫ টি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছ। জেলাগুলো হলো: কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, বগুড়া, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর। তবে এবার ঐসব জেলাসহ আরো বেশি এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশে এখন “শ্রাবন এর মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে; অঝোরে নামবে বুঝি ঝরনি ধরায়ে”—- অবস্থা বিরাজমান। বৃষ্টিপাত এবং নেপাল, চীন, ভারতের উজান থেকে বন্যার পানি আসা অব্যাহত আছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এর ভাষ্য মতে এবারের বন্যা দীর্ঘ স্থায়ী হতে পারে। জাতিসংঘ তো বলেই দিয়েছে যে এবারের বন্যা ১৯৮৮ সালের ন্যায় দীর্ঘ স্থায়ী হবে। 

বর্তমান পরিস্থিতিতে প্লাবিত এলাকাগুলোর পানিবন্দি মানুষ এখন সম্পূর্ণভাবে কর্মহীন অবস্থায় সরকারি ত্রাণ নির্ভর হয়ে দিন কাটাচ্ছেন। বলা যায় যে, এই পরিস্থিতিতে দ্বিতীয়বার বন্যায় ফসলহানী ও ব্যবসা বাণিজ্য হারিয়ে বন্যাকবলিত অঞ্চলের জনগণ বড় ধরনের আর্থিক ও মানবিক ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছেন। এবারও দায় টানতে হবে, গ্রামীণ চালিকাশক্তি “ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে”।

সুতরাং বর্তমান বৈশ্বিক পরিবেশ বিপর্যয়ের বিষয়টিকে মাথায় রেখে প্রতিটি শিল্পক্ষেত্রের ন্যায় বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও পরিবেশবান্ধব এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় সহণীয় ঋণ প্রডাক্ট ডিজাইন করতে হবে । অর্থাৎ গতানুগতিক ঋণ কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষায়িত ঋণ প্রডাক্ট ডিজাইন করাসহ সামাজিক ব্যবসা এর নতুন নতুন প্রকল্প ও ক্ষেত্র উন্মোচন করতে হবে। এখনই বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরবর্তীতে কৃষি উৎপাদন এর জন্য আমন (রোপা) এবং রবিশস্যের জন্য আগাম প্রস্তুতি মূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করে এই সংক্রান্ত ঋণ বিতরণ পরিকল্পনা নেওযা যেতে পারে । পাশাপাশি মাননীয় সরকারের ঘোষিত তিন হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঋণ সহায়তা সময়মত কাজে লাগানো যায় কিনা সে বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে। বিনিয়োগযোগ্য ঋণের যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত না করতে পারলে ভবিষ্যতে ঋণ বিনিয়োাগ করা সংস্থাগুলোর জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। 

সুতরাং সংস্থার নিজস্ব উদ্বৃত্ত তহবিল, পরিচালকগনের নিজস্ব তহবিল, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক হতে ঋণ গ্রহণ করে মাঠ পর্যায়ে বিতরণ করবার পূর্বেই এই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় আনতে হবে। আর এর মাধ্যমেই টেকসই ক্ষুদ্রঋণদানকারী শিল্প হিসাবে প্রতিষ্ঠানগুলো টিকে থাকবে।

S.M.Moinur Rahman Moin
Livelihood Development and Microfinance & SME
Management Expert at Development Consultant and Global Compliance Initiative (DCGCI)Bangladesh.
—–0—-

#মাইক্রোফাইস্যান্স বেসিক বিষয়গুলো জানতে ভিজিট করুন- https://learnmicrofinance.com/microfinance-basics/
#চাকুরী বিজ্ঞপ্তি পেতে ভিজিট করুন- https://learnmicrofinance.com/jobs/
অন্যান্য বিষয় জানতে ভিজিট করুন-
https://learnmicrofinance.com/blog/

MICROFINANCE INDUSTRY IN BANGLADESH IS FACING ECONOMIC SHOCK WAVE THAT NEEDS SPECIAL CARE. ———- Sheikh Moinur Rahman, Livelihood Development and Microfinance & SME Management Expert

Reference: Based on my direct field visit.

The world is now on a mode of reformation since last six months. The economic dotard caused by the COVID 19 pandemic has resulted in massive disruption in the world economy. Likewise many other developing countries around the globe Bangladesh is bracing itself for an economic shock wave whose scale, duration and long-term ramifications are difficult to predict. Above 700 licensed Microfinance institutions in the country directly serve the needs of 3.3 crore missing middle population which is indirectly 85% of the total population those have very limited access to formal financial institutions. Approximately 15 lakh educated employees are working to keep alive their families where 6-7 million people are surviving. The total portfolio is about BDT 1,58,000 crore (approx.) and clients savings is about BDT 50,000 crore (aaprox). Unfortunately these group of people including the so-called middle and lower middle classes of the society is typically proven as the least resilient when confronting financial shocks in this pandemic. It is now important to all stakeholders to find a sustainable solutions to overcome the crisis.

 As a microfinance practitioners point of view we should find some way forward to get rid of the crisis.

First of all this has to bear in mind that the present economic depression is neither like what the world has faced in 2008-9 which was commonly a financial depression nor this is a natural disaster like cyclone or earthquake that could hit and go away with some destructions in a particular land or area. But this time the COVID 19 pandemic is different type of health related disaster that has hit every corner of the country and impacting everyone across the board. Thereby this crisis has demolished the trade and business in rural and urban micro, SMEs and macro level due to lockdown in the society.

The virus social contamination rate is accelerating day by day to an uncertain trends. MFIs are operating loan program with a moratorium of installment repayment. The average installment collection rate is 60% caused the new loan disbursement is slow down. Moreover the clients are incapable to deposit weekly savings rather withdrawal rate is high. This situation has fall the MFIs in shortage of fund. In another way the MFIs earnings has failed to meet the staff salary and benefits thereby staff upset is increasing and many of them are switching to other jobs or lost their job. So the MFIs, employees and client relationship is becoming unpleasant to some extent that will likely destroy much of the “high touch” capacity that many beneficiaries want and need. It may also lead to an overall destruction of capacity, setting the sector back for years or permanently, unless the recapitalization and consolidation process is handled well.

Many MFIs, particularly smaller ones in rural areas, with a larger proportion of small, informal and women borrowers, are in danger of being overlooked as the govt declared incentive will likely focus on big institutions with greater linkages to the financial institutions. The role that MFIs play in normal times, i.e. smoothing income through loans and savings, providing emergency funds, disseminating relevant information and guidance, etc. now mean the difference between life and death for many families.

There are some unusual aspects to this crisis too. One is that while we do not know how much health suffering the virus will inflict, we already have seen the public health response inflicting economic suffering. What we are experiencing about the financial resilience of low and middle income people around the country that the majority of families who lost their livelihoods are spending their deposit since the pandemic caused months after months of lock-down. So it is nothing wonder that there is already a rising backlash against the trade-off governments are making: economic pain now versus uncertain physical suffering later. As of now, the country is still looking for an end up like the whole world are expecting but not a single country is really out of danger yet, so in Bangladesh we could be experienced in for months and months of restrictions on normal activities as countries open up and then close down again.

 At present the promoters of microfinance industry has urged a flexible regulations along with adequate fund supply by the govt. Though the govt has declared BDT 3.000 crore incentive fund by Commercial banks, BDT 500 crore through PKSF, whereas the industry demand is for BDT 25,000 crore in the budget to setting up the sector back.

 The following steps can help the Country’s MFIs industry to hold back on the steering:

1. A joint operation committee can be formed by the MRA, PKSF, CDF and multi-level MFI representative.

2. MRA can set the rules and regulations flexible for next one year.

3. Adequate fund supply need to be ensured. The foreign investment framework can be introduced to welcome foreign investment to the industry.

4. Pandemic resilient special loan and savings product design.

5. Introducing social business.

6. Undue interference and propaganda by the local govt and others should be stopped immediately.

7. Employee salary and benefit will need to be ensured accordingly.

8. Employee health and safety measures should be ensured by the MFIs.

9. Loan restructuring and rescheduling.

10. The rate of service charge for two category loan products (regular loan rate 13% and incentive loan rate 9%) need to be rethink. Because the past experience of disaster loan product was not happy so far.

11. The declared incentive should be sanctioned without delay.

Finally, the supply of adequate fund and regulators support to MFIs will offer Microfinance industry to breathing room in exchange for their efforts to reach out to customers and help them survive this crisis.

Data Source: inter net and participation note from wbinar.

S.M.Moinur Rahman Moin
Livelihood Development and Microfinance & SME
Management Expert at Development Consultant and Global Compliance Initiative (DCGCI)Bangladesh.

—–0—-

#মাইক্রোফাইস্যান্স বেসিক বিষয়গুলো জানতে ভিজিট করুন- https://learnmicrofinance.com/microfinance-basics/
#চাকুরী বিজ্ঞপ্তি পেতে ভিজিট করুন- https://learnmicrofinance.com/jobs/
অন্যান্য বিষয় জানতে ভিজিট করুন-
https://learnmicrofinance.com/blog/

প্রাচীন সঞ্চয় বনাম আধুনিক সঞ্চয় – ইশপের পিঁপড়া বনাম আধুনিক রোলস রয়েস।
ছোটবেলায় পড়া ইশপের সেই পিঁপড়ার গল্পটি তো সবারই মনে আছে। ঐ যে সারা গ্রীষ্ম ঋতুতে একটু একটু করে সঞ্চয় করে, পিঁপড়া সেই সঞ্চয় ব্যবহার করে শীত কালে যখন কোথাও কোন খাবার ছিল না।
আমাদের দেশের ক্ষুদ্র ঋণের ইতিহাস যদি আমরা একটু বিশ্লেষণ করি তাহলে আমরা দেখতে পারি যে আগের দিনের সঞ্চয়ের ধারণা অনেকটা সেই পিঁপড়ার সঞ্চয়ের মতই ছিল। এর কিছু কারণ আছে। তা হল, ঐ সময়ের মূল সদস্যরা ছিলেন অতি দরিদ্র বা যাকে আমরা বলে থাকি হতদরিদ্র। সেই সময় অনেকেই ব্যক্তিগত উদ্দ্যেগে এমনকি মুঠো হিসেবে চাল ও সঞ্চয় রাখতেন। যেই সঞ্চয় সেই সময়ের হত দরিদ্র মানুষদের সামান্য বিপদেও কাজে লাগত।
দিন বদলাচ্ছে এবং তা খুব দ্রুত বদলাচ্ছে। সেই সময়ের হত দরিদ্র মানুষের অনুপাত আজকের দিনে অনেক কমে যাচ্ছে। এমনকি সেই পিঁপড়ার সঞ্চয়ের মত সঞ্চয় আজকের দিনে শুধু যে বেমানান তাই নয় বরং একদিক দিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য তা অসামঞ্জস্য বটে। কীভাবে তা একটা গল্পের মাধ্যমে বুঝানোর চেষ্টা করছি।
একজন খুব ধনী ব্যক্তি একবার ব্যাংক থেকে ৫০০০০ টাকা ধার নিলেন। ঐদিনই তিনি দেশের বাইরে যাবেন। তখন ব্যাংকের কর্মকর্তা তাকে বললেন যে স্যার, আপনাকে মর্টগেজ হিসেবে কিছু রেখে যেতে হবে। তিনি বললেন যে, আমি খুব জরুরি অবস্থায় আছি, ঠিক আছে আপনি আমার সাথে থাকা আমার রোলস রয়েস গাড়িটি রাখুন। ( রোলস রয়েস হল পৃথিবীর সবচাইতে দামী গাড়ির একটি, যার মুল্য প্রায় কোটি টাকা)। তো এটা মর্টগেজ রাখার পর ব্যাংকের লোকরা খুব হাসলেন যে সামান্য ৫০ হাজার টাকার জন্য এত দামী গাড়ি কেউ মর্টগেজ রাখে। ঐ ব্যক্তি যথারীতি ১০ দিন পর দেশে ফেরত এসে ৫২ হাজার টাকা দিয়ে তার গাড়ি নিয়ে গেলেন। ব্যাংকের কর্মকর্তা প্রশ্ন করলেন যে স্যার এত কম টাকার জন্য আপনি এত দামী গাড়ি রাখতে গেলেন কেন? লোকটি উত্তরে বললেন যে হুট করে আমার বাইরে যাবার দরকার ছিল, গাড়ি বাড়িতে রেখে যাবার উপায় ছিলনা। কোন সিকুরিটি কোম্পানির কাছে দিলে তারা দিন প্রতি ১০ হাজার চার্জ করত, সেই হিসেবে ১০ দিনে ১ লাখ। সেখানে আমি আপনাদের কাছে ২ হাজার টাকায় রাখতে পারলাম নিরাপদে সাথে ৫০ হাজার টাকার লোণ ও পেলাম!!!!
তো সেই পিঁপড়ার সঞ্চয়ের মত যেই সঞ্চয় আমরা এখন রাখছি সেটিকে আমরা এই গল্পের সাথে সুন্দর তুলনা করে দেখাতে পারি। সদস্যরা যারা খুব কম কম পরিমাণে সঞ্চয় রাখে এবং লোণ নেন না বললেই চলে, তারা মূলত এই সমিতির সিস্টেম টা ব্যবহার করছেন সেই ধনী ব্যক্তির মতো। কারণ তাদের এই সঞ্চয় দিতে খরচ করে ব্যাঙ্কে যাবার প্রয়োজন হয় না, মন চাইলে সঞ্চয় দেয় এবং তা যতটা না প্রয়োজনের তাগিদে বা কোন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তার চাইতে তা দেখা যায় নিজেদের উচ্ছিস্ট অংশ নিরাপদে রাখার জন্য। যে সামান্য টাকা তার জমা হয় তা সে উঠিয়ে ফেলে হয়তো বাসায় মেহমান আসবে বা ভাল মন্দ খেতে বা শপিঙের জন্য। মাঝখান দিয়ে তার এই টাকা জমা রাখার জন্য আমার কর্মীর সময় নষ্ট, কলমের কালি নষ্ট, পোস্টিং এর সময় , হিসাব সব কিছুই নষ্ট। এত কিছুর পরেও যারা একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে সঞ্চয় জমা করেন তাদের কথা ঠিক আছে, হয়তো একটি ভাল পরিমাণ টাকা তারা জমা করেন যেই টাকা তাদেরও উপকারে লাগে এবং তা সংস্থা সমূহ তাদের বিভিন্ন কাজে লাগাতে পারে। কিন্তু যারা হয়তো প্রতি সপ্তাহে ২০-৩০ টাকা জমা দেন এবং তা ১০০০ হলেই উঠানোর জন্য পাগল হয়ে যান তারা মূলত এই সুন্দর সঞ্চয় সিস্টেমের সিস্টেম লস বা আপনারা তাকে বলতে পারেন ব্যাড ইফেক্টস। এতে করে না তার কোন লাভ হচ্ছে না সংস্থার। বরং সংস্থা তার জন্য যে সময় ও সম্পদ ব্যয় করছে তা পুরোটাই বাতিলের খাতায় পড়ে যায়।
আধুনিকতার এই রোলস রয়েসের যুগে যদি সেই পিঁপড়ার মত সঞ্চয় করতে থাকি আমরা তবে তা একদিক দিয়ে সদস্যর ক্ষতি এবং তা আধুনিক যুগের অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে তাল মিলাতে না পেরে তা এই ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি সতর্কবার্তা।

লেখক
মাহ্‌দী যুবায়ের
বিএসএস, এমএসএস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
লেকচারার- পৌরনীতি ও সুশাসন- ইউনুছ খান মেমোরিয়াল কলেজ, শামুরবাড়ি,লৌহজং,মুন্সিগঞ্জ।

#মাইক্রোফাইস্যান্স বেসিক বিষয়গুলো জানতে ভিজিট করুন- https://learnmicrofinance.com/microfinance-basics/
#চাকুরী বিজ্ঞপ্তি পেতে ভিজিট করুন- https://learnmicrofinance.com/jobs/
অন্যান্য বিষয় জানতে ভিজিট করুন-
https://learnmicrofinance.com/blog/
*** আপনার লেখা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে মাইক্রোফাইন্যান্স কার্যক্রম সঠিক দিক নির্দেশনা পাবে বলে মনে করি। ধন্যবাদ- www.learnmicrofinance.com

এনজিও ঋণের কিস্তি ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঐচ্ছিক । বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারনে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর- 2020 পর্যন্ত ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আদায় ঐচ্ছিক করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ঋণী কে কিস্তি প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। ঋণী নিজ ইচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশোধ করলে তা নিতে কোনো বাধা থাকবে না।  কোনো ঋণ বা ঋণের কিস্তিকে বকেয়া বা খেলাপি দেখানো যাবে না।

ক্ষুদ্র ঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমআরএ এই বিষয়ে সকল নির্দেশনা দিয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলার মতে ঋণ বিতরণ, সঞ্চয় আদায়/ ফেরত, ত্রাণ বিতরণ, রেমিটেন্স ও সামাজিক কার্যক্রম চলমান থাকবে। কমচারী/কর্মকর্তাদের বেতন প্রদানের কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

গুজবে কান না দিয়ে সরাসরি সাকুর্লার টি দেখুন-